মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া ওই পোস্টে ডা. কেয়া লেখেন, ‘আপনারা একটা কাজ করবেন, এখন থেকে ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন অথবা ব্যথা কেন উঠছে না, পানি কেন ভাঙছে—এই যাবতীয় সিদ্ধান্ত সাংবাদিকের কাছ থেকে নিয়ে তাকেই বলবেন চিকিৎসাটা করতে।’
স্থানীয় সাংবাদিকদের দাবি, চৌদ্দগ্রামে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ডা. কেয়ার বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরপরই তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ফেসবুকে এমন মন্তব্য করেন। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি উপজেলার খামার পুষ্করণী গ্রামের প্রসূতি নাজমা আক্তারের সন্তান প্রসবের সময় ডা. কেয়ার বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ করেন স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করা হলেও একপর্যায়ে নবজাতকের মৃত্যু হয়। পরে নবজাতকের মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে বলে দাবি করেন স্বজনরা। এ ছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রসূতি নাজমাকেও কুমিল্লা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে ডা. খাইরাতুন হিসান কেয়া বলেন, তিনি নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করেছিলেন। তবে রোগীর অবস্থা ভালো না থাকায় দ্রুত তাকে কুমিল্লায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। নবজাতকের মৃত্যু ও মাথায় আঘাতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি রোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
এদিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশীদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


✍️ মন্তব্য লিখুন