গণপরিবহনে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

ডেস্ক রিপোর্ট

0 100

ওমিক্রনের কারণে দেশে প্রতিদিন বাড়ছে সংক্রমণ। এ অবস্থায় গণপরিবহনসহ সর্বস্তরে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হলেও, তা মানা হচ্ছে না।

advertisement

advertisement

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ যাত্রীর মুখে মাস্ক নেই। অনেকের থাকলেও তা যথাযথভাবে পরেননি। বাসের চালক ও সহকারীর অনেকের মুখেই মাস্ক দেখা যায়নি।

রাজধানীর এলিফ‌্যান্ট রোড, নিউমার্কেট এলাকায় সাভার পরিবহন, ঠিকানা, মৌমিতা, হিমাচল, মিরপুর পরিবহনসহ বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী প্রতিটি বাসে গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। নগরীর বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, আসাদগেট, কলেজগেট, শ্যামলী এলাকায় একই অবস্থা দেখা গেছে।

advertisement

মোড়ে মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের উপস্থিতি দেখা গেলেও রাস্তায় এবং পরিবহনে যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে কোনও তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি।

সাভার পরিবহনে চালকের সহকারী মতিনের মুখে মাস্ক থাকলেও ঠিকভাবে পরা হয়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সারাদিন মাস্ক পরে থাকলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।’ তবে মাস্ক পরে থাকা উচিৎ বলে জানান মতিন।

হিমাচলের চালক রহমান খন্দকার বলেন, ‘শুনেছি শনিবার থেকে দুই সিটে একজন করে যাত্রী নিতে হবে। আমরা যদি অর্ধেক যাত্রী নেই, তবে মানুষের হাতে মার খেতে হবে। কারণ সকালে মানুষ অফিসে যেতে বের হন। এ সময় যাত্রীদের চাপ থাকে। সরকার যদি পর্যাপ্ত গণপরিবহনের ব্যবস্থা করতো, তাহলে আমরা শুধু অর্ধেক না এর কম যাত্রী নিয়েও বাস চালাতে পারতাম।’

সাভার পরিবহনে হেমায়েতপুর যাচ্ছিলেন সুমি রহমান। তিনি বলেন, ‘সরকার বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে। পাশাপাশি পরিবহনের বিকল্প ব্যবস্থা করেনি। প্রতিটি পরিবহনে যাত্রী কম করে বহন করলে পরিবহন সংকটে পড়তে হবে। শনিবার থেকে যাত্রী অর্ধেক করে দিলে কীভাবে চলাচল করবো।’

বাসচালক ও সহকারীর মাস্ক পরার বিষয়ে হিমাচল পরিবহনের মালিক আব্দুস সবুর (৭টি বাসের মালিক) বলেন, ‘আমরা সবসময় চালক ও হেলপারকে মাস্ক পরে গাড়ি চালাতে বলি। মাস্ক কেনার টাকাও দেই ওদের। তারপরও যদি মাস্ক না পরে সেটা দুঃখজনক। এতগুলো বাসের স্টাফকে মনিটরিং করা সম্ভব না। তারপরও আবার মাস্ক পরার জন্য কঠোরভাবে নির্দেশে দেব, যাতে শনিবার থেকে নিয়মিত মাস্ক পরে।’

এই বিভাগের আরো খবর

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.