টানা ৬৭ বছর গোসল না করেও সুস্থ্য কিভাবে ?

ডেস্ক রিপোর্ট

0 108

শীতকালে গোসল না করা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মজার কথা-বার্তা হয়। শীতের সময় কেউ কেউ দুই-তিন দিন ধরে গোসল করেন না এমনটা প্রায়ই শোনা যায়। তবে এবার জানা গেছে এক ব্যক্তি টানা ৬৭ বছর ধরে গোসল করেননি। জেনে নিন তার সম্পর্কে।

advertisement

advertisement

ইরানের এক বৃদ্ধ টানা ৬৭ বছর ধরে গোসলের পানি গায়ে ঢালেননি। সে দেশের সংবাদমাধ্যমে তার এমন খবরে অনেকের বিস্মিত হয়েছেন। কেউ কেউ বলছেন এই বৃদ্ধই বিশ্বের সবচেয়ে ‘নোংরা, অপরিষ্কার’ ব্যক্তি।

‘তেহরান টাইমস’ নামে ইরানের একটি দৈনিক সংবাদপত্রের দাবি, কেরমানশাহ প্রদেশের দেজগাহ গ্রামের বাসিন্দা আমো হাজি গোসলখানায় ঢোকেননি প্রায় সাত দশক।

advertisement

কেন গোসলখানায় ঢুকে আর পাঁচটা মানুষের মতো গোসল করেন না তিনি এ নিয়ে মানুষের মাঝে রয়েছে অনেক কৌতুহল। গায়ে ধুলোবালি, কাদামাথা ৮৭ বছরের হাজির স্বীকারোক্তি, ‘পানি দেখলে ভয় হয়। মনে হয় গোসল করলেই অসুস্থ হয়ে পড়ব!’

বছরের পর বছর ধরে গোসল না করা এই বৃদ্ধ সুস্থ রয়েছেন বলে ইরানের সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে। তবে গায়ে মাথায় নিয়মিত সাবান-শ্যাম্পুর ঘষামাজা না হওয়ায় একটু অন্য রকমের ‘রূপ’ হয়েছে তার।

এত বছর ধরে সাবান-শ্যাম্পুর ছোঁয়া না পেয়ে হাজির চেহারা বেশ এলোমেলে হয়ে গেছে। তার ‘রূপ’ দেখে অনেকেই বলছেন, বৃদ্ধ যেন বাইবেলের পাতা থেকে উঠে আসা চরিত্রের মতো দেখতে হয়ে গিয়েছেন। ঠিক যেন রান্নাঘরের চিমনি বেয়ে নেমে আসা মোজেস। তেমনই গোঁফদাড়িতে ঢাকা গোটা মুখ। গায়-মাথা ছাইমাখা ও নোংরা।

এত বছর ধরে সাবান-শ্যাম্পুর ছোঁয়া না পেয়ে হাজির চেহারা বেশ এলোমেলে হয়ে গেছে। তার ‘রূপ’ দেখে অনেকেই বলছেন, বৃদ্ধ যেন বাইবেলের পাতা থেকে উঠে আসা চরিত্রের মতো দেখতে হয়ে গিয়েছেন। ঠিক যেন রান্নাঘরের চিমনি বেয়ে নেমে আসা মোজেস। তেমনই গোঁফদাড়িতে ঢাকা গোটা মুখ। গায়-মাথা ছাইমাখা ও নোংরা।

গোঁফদাড়ি বড় হলে নাপিতের কাছে যান না এই বৃদ্ধ। বরং আগুন জ্বালিয়ে তাতে মুখটা এগিয়ে দেন। মানে পুড়ে ফেলেন।

হাজির খাবারদাবারে হামেশাই মৃত পশুপ্রাণীর পচা মাংস থাকে। বিশেষ করে সজারুর মাংস বেশ জমিয়ে খান তিনি। আর নেশা বলতে ধূমপান। তবে তামাক খেতে একেবারেই পচ্ছন্দ করেন না। বরং পশুর মল শুকিয়ে ফুটিফাটা পাইপে ঢুকিয়ে ধূমপান করেন।

গোসলের পানিতে ভয় থাকতে পারে। তবে ভাববেন না, পানি পান করেন না হাজি! মরচেধরা টিনের ক্যান থেকে প্রতি দিন পাঁচ লিটার পানি ঢক ঢক করে গিলে ফেলেন তিনি।

সাজপোশাকেও স্বতন্ত্র হাজি। যেন যুদ্ধে যাচ্ছেন, এমন হেলমেট মাথায়। তবে যুদ্ধে নয়, ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচতেই এমন সাজ।

সাজপোশাক বা খাবারদাবারের মতোই হাজির থাকার জায়গাও কম অভিনব নয়। যেন কবরখানায় ঢুকছেন, এমন গর্তে থাকেন তিনি। বসবাসের আরও একটা জায়গা রয়েছে তার। বৃদ্ধের থাকার জন্য ইটের সারি দিয়ে খোলা ছাউনি গড়ে দিয়েছেন গ্রামবাসীরা।

হাজির জীবনযাপন একটু ‘আলাদা’ মনে হচ্ছে? ইরানের সংবাদমাধ্যমের দাবি, যৌবনে মানসিকভাবে আঘাত পাওয়ার পর থেকেই জনশূন্য জায়গায় বসবাস শুরু করেন তিনি। নিজের জীবনযাপনও বদলে ফেলেন বৃদ্ধ!

এই বিভাগের আরো খবর

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.