স্বপ্নের মতো অদ্ভুত সুন্দর দ্বীপ

ডেস্ক রিপোর্ট

0 141

যেখানে যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই কেবল নীল আর নীল। আর সন্ধ্যাবেলায় সেই নীলের মাঝে মিশে যায় আবার লাল-হলুদ-সোনালি নানা রংয়ের মেলা। সত্যিই এমন অদ্ভুত সুন্দর সৌন্দর্যও পৃথিবীর কোনায় কোনায় ছড়িয়ে আছে। সে রকম কিছু আইল্যান্ড বা দ্বীপের গল্প-

advertisement

advertisement

শেল আইল্যান্ড বা শঙ্খদ্বীপ

advertisement

শেল আইল্যান্ড বা শঙ্খদ্বীপ বেশিরভাগ মানুষ শেল আইল্যান্ড বলে জানলেও এর শঙ্খদ্বীপ নামটাই যেন বেশি মিষ্টি শোনায়। তবে নামের চাইতেও বেশি মিষ্টি পেনিনসুলার এ দ্বীপটি দেখতে। ১৮১৯ সালে জন্ম নেয়া এই দ্বীপটি বিখ্যাত এর সৈকতে পাওয়া নানা রং, আকার আর রকমের শঙ্খের জন্য। এখানে দেখতে পাওয়া বুনো ফুলের বিস্ময়কর সমাহারও। কেবল অর্ত্রো নদীর মাধ্যমেই এ দ্বীপে পৌঁছানো যায়। স্নোডোনিয়া জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত এই দ্বীপটির মধ্যে আছে ক্যাম্প ফায়ারের সুবিধাও। দ্বীপটি লন্ডনের ওয়েলস-এ অবস্থিত।

মাউই দ্বীপ

মাউই দ্বীপ ৭২৭.২ মাইল লম্বা দ্বীপটি হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের ভেতরে দ্বিতীয় এবং পুরো আমেরিকার ভেতরে ১৭তম দীর্ঘ দ্বীপ হওয়ায় অনেকেই একে একনামে চেনে। তবে কেবল এটাই না, সৌন্দর্যের দিক দিয়েও এর জুড়ি মেলা ভার! বলা হয় এই দ্বীপের আবিস্কারক তার ছেলের নামেই এর নাম মাউই রেখেছিলেন। তবে প্রচুর পরিমাণে উপত্যকা থাকায় একে অনেকে উপত্যকার দ্বীপ বলেও ডাকে।

থাসোস দ্বীপ

থাসোস দ্বীপ গ্রিক আইল্যান্ড থাসোসের উৎপত্তি ইজিয়ান সমুদ্রের বুকে। থ্রেস উপকূল আর নেস্টোস নদীর কাছাকাছি হলেও এটি প্রাকৃতিকভাবে মেসিডোনিয়ার অংশ। প্রসারতার দিক থেকে ১২তম দ্বীপটি গ্রিক আইল্যান্ডগুলোর মধ্যে সবচাইতে উত্তরে অবস্থিত। বৃহত্তম শহরের অধিকারী দ্বীপটি বহু বছর ধরে বিভিন্ন সাম্রাজ্যের আওতায় ছিল। বর্তমানে এর প্রশাসন মেসিডোনিয়া ও থ্রেস থেকে আলাদা।

আওগাশিমা দ্বীপ

আওগাশিমা দ্বীপ ফিলিপাইন সমুদ্রের উপরে অবস্থিত আওগাশিমা দ্বীপটি একটি জাপানিজ আগ্নেয়গিরির দ্বীপ। টোকিও থেকে প্রায় ৩৫৮ কিলোমিটার দক্ষিণে মাথা উঁচু করে থাকা দ্বীপটি টোকিও প্রশাসন দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হয়।

২০০৯ এর এক অনুসন্ধান অনুযায়ী এর প্রতি ৯ কিলোমিটারে ২০৫ জন বাস করে। এটি ফুজি-হাকোনে-ইজু জাতীয় উদ্যানের অন্তর্ভুক্ত। দ্বীপটি আগ্নেয়গিরির সঞ্চয়স্থল হিসেবে সবার কাছে পরিচিত। এর অধিকাংশ অধিবাসীই জাপানিজ।

ওয়াহু দ্বীপ

ওয়াহু দ্বীপ হাওয়াইয়ের হৃদয় বলে পরিচিত ওয়াহু দ্বীপটির অন্যতম আকর্ষণ এর মৃদুষ্ণ পানির সমাহার। এখানে রয়েছে প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা নানারকম পাহাড়ের সমাবেশ। দ্বীপটি হাওয়াইয়ান দ্বীপগুলোর মধ্যে তৃতীয়। আমেরিকার সবচেয়ে জনবহুল এই দ্বীপটিতে রয়েছে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরও। বর্তমানে এখানে প্রায় ৯ লক্ষ ৫৩ হাজার ২০৭ জন মানুষ বাস করে। কথিত আছে, এর আবিষ্কারক তার ছেলের নামে নাম রাখেন দ্বীপটির।

এই বিভাগের আরো খবর

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.