স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে শুরু হলো ট্রেন যাত্রা

ডেস্ক রিপোর্ট

0 5

ঈদের আগে লকডাউন শিথিল হওয়ায় ৩৮টি আন্তঃনগর এবং ১৯টি মেইল ও কমিউটার ট্রেন দিয়ে শুরু হলো ট্রেন যাত্রা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রেলওয়ের ৩৬২টি ট্রেনের মধ্যে স্বাভাবিক সময়ে ১০২টি আন্তঃনগর ট্রেন এবং ২৬০টি লোকাল, কমিউটার ট্রেন ও মালবাহী ট্রেন চলাচল করে। কিন্তু সাময়িক সময়ের জন্য রেলসার্ভিস চালু হওয়ায় পুরো দমে ট্রেন চলাচল শুরু হচ্ছে না। কাউন্টারে বিক্রি হচ্ছে না কোনো টিকিট। অনলাইনে গতকাল বুধবার থেকে টিকিট বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়।

রেল সূত্রে জানা গেছে, আজ থেকে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের বিভিন্ন ট্রেনের মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে সোনার বাংলা এক্সপ্রেস, সূবর্ণ এক্সপ্রেস, মহানগর গোধুলী ও তূর্ণা এক্সপ্রেস, মহানগর প্রভাতী, চট্টগ্রাম মেইল, কর্ণফুলী কমিউটার, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ রুটে তিস্তা, দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার, জামালপুর কমিউটার, ঢাকা-সিলেট রুটে পারাবত, ঢাকা-নোয়াখালী রুটে উপকূল, ঢাকা-সিলেট রুটের জয়ন্তিকা, উপবন, পাহাড়িকা, উদয়ন, চট্টগ্রাম-চাঁদপুর রুটে মেঘনা এক্সপ্রেস, সাগরিকা কমিউটার, ঢাকা-আখাউড়া-ব্রাহ্মণবাড়িয়া রুটে তিতাস কমিউটার, চট্টগ্রাম-বঙ্গবন্ধু সেতু (পূর্ব) রুটে ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস, ঢাকা-তারাকান্দি রুটে অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস, যমুনা এক্সপ্রেস, ঢাকা-মোহনগঞ্জ রুটে হাওর এক্সপ্রেস, মহুয়া কমিউটার, ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রুটে কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ রুটে বিজয় এক্সপ্রেস, ঢাকা-ঝারিয়াঝাঞ্জাইল রুটে বলাকা কমিউটার চলাচল করবে। একইভাবে পশ্চিম রেলের অধীনে ট্রেন চলাচল করবে।

এদিকে, মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, রেলযাত্রার প্রথমদিনের কার্যক্রম দেখতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনে আসবেন রেল মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের মহা-পরিচালক উপস্থিত থাকবেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল থেকে রেলওয়ের সব যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। গত ২৩ মে জারি করা সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২৪ মে থেকে আসন সংখ্যার অর্ধেক (৫০ শতাংশ) যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ মে থেকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ২৮ জোড়া আন্তঃনগর এবং ৯ জোড়া মেইল এক্সপ্রেস ও কমিউটার ট্রেন মোট আসনের ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি ও ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছিল। পরে সরকারি নির্দেশনায় গত ২৩ জুন থেকে ট্রেন চলাচল আবারও বন্ধ হয়।

দেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে আগামী ১৪ জুলাই (বুধবার) মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই (শুক্রবার) সকাল ৬টা পর্যন্ত আরোপিত সব বিধিনিষেধ শিথিল করেছে সরকার।

তবে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এই বিভাগের আরো খবর

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.