পুলিশ সুপারের বাসভবন ঘুঘুর অভয়াশ্রম

নুর আলম, নীলফামারী

0 21

কষ্ট মেনে নিয়ে ঘুঘু পাখির অভয়াশ্রম গড়েছেন সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ সুপার সিদ্দিক তাঞ্জিলুর রহমান। ৩০টি স্থানে বাসা বেঁধেছে পাখিরা। পাখিদের সুরক্ষায় সতর্ক থাকেন পুলিশ সদস্যরাও।

সৈয়দপুর শহরের অফিসার্স কলোনী এলাকায় সরকারী কোর্য়াটারে পরিবার নিয়ে বাস করেন রেলওয়ে পুলিশ সুপার।দুই একরেরও বেশি জায়গা নিয়ে এই বাসভবনের ভেতরে রয়েছে মনোরম বাগান। যেখানে লিচু গাছও রয়েছে।

পুলিশ সুপারের বাসভবনের পাশে রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্বাবধায়ক, অফিসার্স ক্লাব এবং মাঝে বিমান বন্দর সড়কের অবস্থান।বাসভবনে ঘুঘু ছাড়াও বাসা বেঁেধছে টিয়া, লক্ষ্মীপেচাঁ, বাজপাখি, শালিক প্রভৃতি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা মেলে পুলিশ সুপার বাসভবনের সামনে গোলঘর, গেট, লিচু বাগান, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের কুলার সবত্র বাসা বেঁধেছে ঘুঘু পাখি।

এই পাখিদের বাসার কারণে এয়ার কন্ডিশনার(এসি) চালানো বন্ধ রাখা, অভিযোগ নিয়ে আসা দর্শনার্থীদের সাথে গোলঘরে না বসা এমনকি লিচু গাছেও স্প্রে করা বন্ধ রেখেছেন পুলিশ সুপার। আর এসব করেছেন ঘুঘু পাখিরা যাতে নিরাপদে ডিম পাড়তে পারে সে জন্য।

পুলিশ সুপার সিদ্দিক তাঞ্জিলুর রহমান জানান, গরম সত্বেও এসি ছাড়তে পাচ্ছি না। অভিযোগ নিয়ে আসা দর্শনার্থীদের সাথে গোলঘরে বসা হচ্ছে না। কেউ উচ্চস্বরে কথা বলছেন না। লিচু বাগানে ফল এসেছে। এসময় কীটনাশক স্প্রে করতে হয় কিন্তু আমি আমার লোকদের তাও মানা করেছি।

তিনি বলেন, ঘুঘু পাখির চরম শক্র হলুদ তালুয়া পাখি। ওই পাখি যাতে ঘুঘুর ডিম খেয়ে না ফেলে এজন্য বাসভবনে পুলিশ পাহারা বসিয়েছি। পালাক্রমে বিরামহীন খোঁজ রাখছেন তারা। আমি নিজেও এনিয়ে তদারক করছি।

এই বিভাগের আরো খবর

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.