ঘুড়ে আসুন গ্রামীণ ঐতিহ্যের আদলে কফি শপ ‘ঠিকানায়’

ডেস্ক রিপোর্ট

0 30

শহরের যান্ত্রিকতা ছেড়ে একটু স্বস্তির জন্য আমরা কতো কিছুই না করি। প্রশান্তির সেই প্রচেষ্টার সাথে এবার যোগ করুন রাজধানীর সন্নিকটে ঠিকানা নামের নতুন ঠিকানায়।

প্রকৃতির ছোঁয়া আর গ্রামীণ ঐতিহ্যের আদলে বাড্ডার বেরাইদে একশ ফুট রাস্তার পাশে গড়ে উঠেছে ব্যতিক্রমী এক কফি শপ। ঠিকানা নামের কপি শপটি ব্যস্ত রাজধানীবাসীর কাছে এখন বেশ জনপ্রিয় আড্ডাস্থল। গ্রামীণ সাজসজ্জা আর প্রাকৃতিক পরিবেশের আবহই ভিন্নতা এনেছে ঠিকানায়।

ফুলে মোড়া কফি শপ। টিন-কাঠের তৈরি দোতলা ঘর। প্রথম দেখায় মনে হবে চীন-জাপানের কোনো বসতবাড়ি। কিন্তু না, রাজধানীর অদূরে বাড্ডার বেরাইদে গড়ে উঠেছে এমনই এক নান্দনিক কফি শপ। যেখানে ফুল, পাখিদের সঙ্গে ব্যস্ত নাগরিক জীবন খুঁজে ফিরে এক চলিতে প্রশান্তি।

গ্রামীণ ঐতিহ্যের দোতলা টিনের ঘরটি ছেয়ে আছে পিটুনিয়া, ডায়ান্থাস, চন্দ্রমল্লিকায়। প্রকৃতির বাহারি রং আর কাঠ-টিনের নান্দনিক শৈলীতে গড়া ঠিকানা নামের ক্যাফেটোরিয়াটি। বাড্ডার বেরাইদে একশ ফুট রাস্তার পাশে এই স্থানটি রাজধানীবাসীর কাছে এখন বেশ জনপ্রিয়।

দর্শনার্থীর মধ্যে এক তরুণী জানান, ঢাকার খুব কাছেই এতো সুন্দর একটি জায়গা। আমাদের একটা প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে নিয়ে আসে। এখানে এসে খুবই ভালো লাগছে। এছাড়া করোনার মধ্যে তো খোলামেলা জায়গা বেছে নেই। তাই এই স্থানে আসা।

সালাম নামের এক মধ্য বয়সী দর্শনার্থী জানান, মানুষতো আসলে ফুল ভালবাসে। এখানকার ঘর আর স্থানটাকে ফুল দিয়ে এতো সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। এই পরিবেশটা বাচ্চা থেকে শুরু করে সব বয়সীদের কাছে খুব ভাল লাগছে। আসলে যিনি এটা করেছেন তিনি একটা রুচিশীলের পরিচয় দিয়েছেন।

প্রায় ১০ একর জায়গাজুড়ে কফি শপটিতে বাহারি ফুলের সমাবেশ ঘটানো হয়েছে নিপুনভাবে। কাঠের সিঁড়ি, সাঁজঘর বা বেলকোনি সবকিছুই সাজানো রঙ্গিন ফুলে। বাইরের লন জেগে থাকে বর্নিল ফুলের কার্পেটে। সেখানে দর্শনার্থী ও পাখি খেলা করে একসঙ্গে।

ঠিকানা ক্যাফের ম্যানেজার আফরিন তায়্যেবা আলিফ জানান, এখন শীতের ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে। এটা বেশি সময় থাকবে না। আর মাত্র দুই মাস মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত থাকবে। তারপর যখন বর্ষ ও গ্রীষ্মকাল আসবে, কখন অন্য ফুল দিয়ে সাজানো হবে। ঢাকা থেকে এখানে আসছে বেশি সময় লাগে না। তাই যারা আসে তারা এসে দুপুরে খাবার খাই, বিকেলে ঘুরাফেরা করে, সন্ধায় নাস্তা করে চলে যান। ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় ঘুরতে আসা সকলেই এই স্থানটি খুব পছন্দ করেন।

মিষ্টি সকাল, অলস দুপুর বা দূরন্ত বিকেল পেরিয়ে গোধুলি বেলা পর্যন্ত বিশুদ্ধ বাতাসের আনাগোনা এখানে। বর্ণিল ফুলের সুবাসের সঙ্গে এসপ্রেসো বা ক্যাপাচিনোর গন্ধ মোহিত করে অতিথিদের।

এই বিভাগের আরো খবর

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.