মাঝেমধ্যেই অজ্ঞান হয়ে যাওয়া কীসের লক্ষণ? জানুন

ডেস্ক রিপোর্ট

0 11

অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার জন্য কারণ হিসেবে মানসিক চাপ, ভাল ঘুমের অভাব বা খাওয়ার অনিয়মকে ধরা হয় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা একে গুরুত্ব দেই না।

মাঝেমধ্যেই অজ্ঞান হয়ে গেলে তা কিন্তু কিছুকিছু ক্ষেত্রে মারাত্মক রোগের লক্ষণ হতে পারে। চোখে অন্ধকার দেখা বা সাময়িক অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার জন্য কারণ হিসেবে মানসিক চাপ, ভাল ঘুমের অভাব বা খাওয়া-দাওয়ার অনিয়মকে ধরা হয় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা একে বিশেষ গুরুত্ব দেই না।

একবার “ফেন্ট” করলেও তা কিন্তু হার্টের সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। ডাক্তারি পরিভাষায় “সিনকোপ” বলে একটি শব্দ আছে। মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হলে কেউ জ্ঞান হারাতে পারেন। আর তা হতে পারে সিনকোপ-এর লক্ষণ।

আবার অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা অ্যারিদমিয়ার লক্ষণও হতে পারে এটি, যা থেকে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা স্ট্রোকের আশঙ্কা তৈরি হয়। যাকে আমরা ব্ল্যাকআউট বলি, তা হয়তো অনেকসময়ই এপিলেপ্টিক সিজিওর-এর কারণে নয় বরং সিনকোপ-এর জন্য হয়! রক্তচাপ বা হার্ট রেট নিয়ন্ত্রণে না থাকলে সিনকোপ ও জ্ঞান হারানো দু’টোই সম্ভব।

সিনকোপ প্রতিরোধে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি

১.ভেসোভেগাল সিনকোপের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত লবণ খাওয়া, বেশি করে পানি খাওয়া দরকার। পড়ে গিয়ে যাতে আঘাত না পান তার জন্য সাবধানতা দরকার।

২.আবার হার্টবিট ধীরে হয়ে যাওয়ার ফলে (ব্র্যাডিকার্ডিয়া) এমনটা হলে পেসমেকার ছাড়া গতি নেই! পেসমেকার হার্টের গতি নিয়ন্ত্রণ করে।

৩.হার্টরেট দ্রুত হলে (ট্যাকিকার্ডিয়া) সেই অনুযায়ী চিকিৎসা করতে হবে।

মনে রাখবেন, কোনভাবেই অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার সমস্যাকে অবহেলা করবেন না। কারণ যাই হোক না কেন, একবার হার্টের চেক-আপ করিয়ে নেবেন ডাক্তারের পরামর্শে।

এই বিভাগের আরো খবর
Loading...